রাজবাড়ীর দৌলতদিয়ায় ফেরিতে উঠতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পদ্মা নদীতে বাস ডুবে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৬ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস। এর মধ্যে ২৩ জনের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সকালে এ তথ্য জানা গেছে। সকালে আবারও উদ্ধার অভিযান শুরু করেছে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল। এর আগে, বুধবার (২৫ মার্চ) বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে দৌলতদিয়ার ৩ নম্বর ফেরিঘাটে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাসটি নদীতে উল্টে গেলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়দের সহায়তায় বেশ কয়েকজন বের হয়ে আসতে পারেন। আর বাকি যাত্রীরা নদীতে তলিয়ে যায়।দুর্ঘটনার পর রাতেই পদ্মা নদীতে ডুবে যাওয়া যাত্রীবাহী বাসটি উদ্ধারকারী যান ‘হামজা’র ক্রেনের সহায়তায় পানির নিচ থেকে তোলা হয়। বাসটি উদ্ধারের পর থেকেই মরদেহের সংখ্যা বাড়তে থাকে। তবে ঘটনার শুরুতেই স্থানীয় লোকজন পদ্মা নদী থেকে দুই নারীকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসকরা তাদের মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয়দের ধারণা, বাসটি নদীতে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ওই দুই নারী প্রাণ বাঁচানোর চেষ্টা করেছিলেন। ফায়ার সার্ভিসও প্রাথমিকভাবে স্থানীয়দের কাছ থেকে এমন তথ্য পেয়েছে বলে জানিয়েছে।
ঢাকা,বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ এইচ বি নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম




















